এটি একটি অরাজনৈতিক, অলাভজনক ও পূর্ণত মানবকল্যাণে নিবেদিত সেবামূলক প্রতিষ্ঠান। এই প্রতিষ্ঠান মানবতার শিক্ষক, মানুষের মুক্তি ও শান্তির দূত, মানবসেবার আদর্শ, মহানবী মুহাম্মদ সা.-এর পদাঙ্ক অনুসরণ করে ইসলামিক ঋণ সেবা (কর্জে হাসানা), সমাজ সংস্কার, মহত্তম নীতিচেতনার সঞ্চার, কর্মসংস্থান তৈরি, দারিদ্র্য বিমোচন, ইসলামী তমদ্দুনের প্রসার…………….
আমাদের সমাজে বহু মানুষ বিভিন্ন মানুষ সাময়িক সংকটে পড়ে যায়। তখন তাদের প্রয়োজন হয় একটি সাহায্যের হাত। যা ধরে তারা ঘুরে দাঁড়াতে পারে। তারা এবং তাদের পরিবারের আর্থিক নিরাপত্তা অর্জন করতে পারে।
করজে হাসানা তথা ঋণের আদান প্রদানের ব্যাপারে ইসলামে আছে কল্যাণকর নির্দেশনা। যার নিখুঁত চর্চা ও যথার্থ প্রয়োগ অত্যন্ত জরুরি।
আমাদের সমাজে বহু মানুষ বিভিন্ন মানুষ সাময়িক সংকটে পড়ে যায়। তখন তাদের প্রয়োজন হয় একটি সাহায্যের হাত। যা ধরে তারা ঘুরে দাঁড়াতে পারে। তারা এবং তাদের পরিবারের আর্থিক নিরাপত্তা অর্জন করতে পারে।
করজে হাসানা তথা ঋণের আদান-প্রদানের ব্যাপারে ইসলামে আছে কল্যাণকর নির্দেশনা। যার নিখুঁত চর্চা ও যথার্থ প্রয়োগ অত্যন্ত জরুরি।

আনাস ইবনে মালেক (রা.) থেকে বর্ণিত। নবীজি ﷺ বলেছেন, ‘মিরাজের রাতে আমি জান্নাতের একটি দরজায় লেখা দেখলাম, দান-সাদকায় দশ গুণ সওয়াব এবং কর্জে আঠারো গুণ। আমি বললাম, হে জিবরীল, কর্জ দান-সাদকার চেয়ে উত্তর হওয়ার কারণ কী? তিনি বললেন, ‘ভিক্ষুক নিজের কাছে (সম্পদ) থাকতেও ভিক্ষা চায়, কিন্তু কর্জ চাওয়া ব্যক্তি প্রয়োজন ছাড়া কর্জ চায় না।’ (সুনান ইবনু মাজাহ; ২৪৩১)

পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা ঋণকে কর্জে হাসানা তথা উত্তম ঋণ নামকরণ করেছেন। কারণ ঋণের ফজিলত অনেক। এরশাদ হয়েছে, ‘কে সেই ব্যক্তি, যে আল্লাহকে কর্জে হাসানা (উত্তম ঋণ) প্রদান করবে? ফলে আল্লাহ তাকে দ্বিগুণ, বহুগুণ বৃদ্ধি করে দেবেন। আর আল্লাহ তাআলাই রিজিক সংকুচিত করেন ও বৃদ্ধি করেন। তোমাদের তাঁর কাছেই ফিরে যেতে হবে।’ (সুরা বাকারা: ২৪৫)

বুরায়দা আল-আসলামী (রা.) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, যে ব্যক্তি (ঋণগ্রস্ত) অভাবী ব্যক্তিকে অবকাশ দিবে, সে দান-খয়রাত করার সওযাব পাবে। আর যে ব্যক্তি ঋণ শোধের মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও সময় বাড়িয়ে দিবে সেও প্রতিদিন দান-খয়রাত করার সওয়াব পাবে। (ইবনে মাজাহ: ২৪১৮)।

ঋণ দেয়ার মাধ্যমে অন্যের প্রয়োজন পূরণ হয়, বিপদ দূর করা হয়, যা ইসলামের দৃষ্টিতে অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ কাজ। রসুল সা. বলেছেন, যে ব্যক্তি তার ভাইয়ের অভাব পূরণ করবে, আল্লাহ তাআলা কিয়ামতের দিন তার বিপদগুলো দূর করবেন। (বুখারি ২৪৪২)

‘এমন কেউ কি আছে, যে আল্লাহকে ঋণ দিতে পারে? কর্জে হাসানা (উত্তম ঋণ), যাতে আল্লাহ তা কয়েক গুণ বৃদ্ধি করে ফেরত দেন। আর সেদিন তার জন্য রয়েছে সর্বোত্তম প্রতিদান।’ (সুরা হাদিদ: ১১)

বুরায়দা আল-আসলামী (রা.) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, যে ব্যক্তি (ঋণগ্রস্ত) অভাবী ব্যক্তিকে অবকাশ দিবে, সে দান-খয়রাত করার সওযাব পাবে। আর যে ব্যক্তি ঋণ শোধের মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও সময় বাড়িয়ে দিবে সেও প্রতিদিন দান-খয়রাত করার সওয়াব পাবে। (ইবনে মাজাহ: ২৪১৮)।